যেন অভিশাপ সহ্য করতে পারবে না বলে, নেমে পড়েছ মাঠে। এভাবে ধান চাষ হয় না। কৃষক প্রতিটি গাছের গোড়ায় তাঁর রক্তদান করেন। ফোঁটা ফোঁটা রক্তের সার ছড়িয়ে পড়ে ধানগাছের ভিতর। আমরা রক্তপান করি। শরীরের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে যায় তার ঘুম, স্বপ্ন, আনন্দ, ঘাম, শ্বাসকষ্টগুলো। আকাশে বিষাক্ত ধোঁয়া, থমথম করছে কুয়াশার অন্ধকার। তার মধ্যে দিয়েই আমি তোমার কাছে আসছি। আর কেউ অভিশাপ দিচ্ছে আমাদের। সমস্ত শহর জুড়ে ছিটিয়ে দিচ্ছে রক্ত। এই রক্ত আচমন করতে পারব না আমরা কেউ। কারা যেন সারিবদ্ধ ভাবে শুয়ে পড়ছে হাইওয়ের উপর। ওই যেখানে গম্বুজ, তার নীচের রহস্যে ঘেরা জানলার ফাঁক দিয়ে উঁকি দিয়ে বিশ্বাসবাড়ির পাগল ছেলেটা সাবধান করছে কলকাতা শহরকে। আমাদের শরীরে তার রক্ত বইছে, ধানের রক্ত, কৃষকের রক্ত, আলপথে পড়ে থাকা কৃষকজননীর রক্ত। এত পাপ নিয়ে ধানচাষ হয় না। গরম গরম ভাত খাও বরং। মানুষের মুখের থেকে কেড়ে নিয়ে শুরু হোক নবান্ন। হেমন্তে সাইরেন বাজে কোথাও না কোথাও। যুদ্ধ শুরু হয়। এই কলকাতা শহর শুনতে পায় না। তুমি তর্ক শুরু করো। কেউ কেউ শুরু করে উপন্যাস। ধারাবাহিক। ক্রমশ প্রকাশ্য।
top of page

bottom of page
コメント